৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণ শেষে হত্যা, বিচার চায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা

কুষ্টিয়া শহরের মিলপাড়া এলাকায় শিশুকন্যা সুরাইয়া খাতুনকে (৭) ধর্ষণ শেষে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও শাস্তি দাবিতে মানববন্ধন করেছে নিহত শিশুর স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

বৃহস্পতিবার (১০ মার্চ) দুপুরের দিকে কুষ্টিয়া শহরের মিলপাড়াস্থ আলাউদ্দিন আহমেদ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের রাস্তায় এ মানববন্ধন করা হয়।

স্থানীয় অভিভাবকদের অভিযোগ, শিশু সুমাইয়াকে ধর্ষণ করে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। অথচ ঘটনাটিকে অন্যদিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে একটি চক্র। এ ঘটনায় অভিযোগ এনে তিনজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে কুষ্টিয়া মডেল থানায় মামলা করেছেন নিহত শিশু সুমাইয়ার বাবা স্থানীয় বাসিন্দা ছগির মিয়ার ছেলে মো. রুবেল।

এমামলায় এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন, কুষ্টিয়া শহরের মিললাইন ভাটাপাড়া এলাকার বাসিন্দা রেজন ইসলামের ছেলে সিরাজুল ইসলাম (৪৫), দুলু মিয়ার ছেলে ইনছান (৪৩) এবং গোলাম মোস্তফার ছেলে সুমন (৪০)।

গত শনিবার (৫ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বাড়ির মধ্যে একটি কক্ষ থেকে অচেতন অবস্থায় শিশু সুরাইয়াকে উদ্ধার কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।

সুরাইয়ার মা ইমা খাতুনের অভিযোগ করে বলেন, পাষণ্ডরা আমার এতটুকু দুধের শিশুকে ধর্ষণ করে হত্যা করে আবার আমারই ঘরের মধ্যে লাশ ফেলে গেছে। আমি এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

সুরাইয়ার বাবা রুবেল বলেন, আমার মেয়েকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে ওরা হত্যা করেছে। আমি পুলিশকে সেটা বলেছি, অথচ থানায় শুধু হত্যা মামলা নিয়েছে পুলিশ। পুলিশ নিজেই দরখাস্ত লিখে আমার সই নিলো। দরখাস্তে কি লেখা ছিলো তা আমাকে পড়ে শুনায়নি পুলিশ। আমি এই ঘটনায় জড়িতদের ফাঁসি চাই।

বার্তাবাজার/জে আই

Leave a Reply

Your email address will not be published.