হতাশার বছরে উজ্জ্বল নারী ক্রিকেট

এই দশকের প্রথম বছরটি বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য ঘটনাবহুলই ছিল। কিছু গৌরব অর্জিত হলেও মাঠের বাইরের সমস্যা এবং ধারাবাহিক হারের কারনে খেলার উন্নতি হয়েছে বাধাগ্রস্থ।

নারী ক্রিকেট সাধারণত মনোযোগ কিংবা আকর্ষটা কম থাকলেও তারা প্রথমবারের মতো নারী বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। কিন্তু সব সময় স্পটলাইটে থাকা পুরুষ ক্রিকেট শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হয়েছে। যে কারণে অনেকেই বছরটিকে ভুলে যেতে চাইবে।
পুরুষ ক্রিকেটের সাফল্য ছিল, বিশেষভাবে ওয়ানডে ক্রিকেটে এবং টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো সিরিজ জয়ের নজির গড়ে টাইগাররা। তবে সব ফরম্যাটেইকিছু হার সাফল্যকে ঢেকে দিয়েছে। হারের প্রতিটি গল্প বছরের শেষে একটি ব্যর্থতার মহাকাব্যে পরিণত হয়েছে।
সেই সাথে সিনিয়র খেলোয়াড়দের মধ্যে দ্বন্দ-বিবাদ এবং ইগো সমস্যার কারণে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। বিসিবির শীর্ষ কর্মকর্তা ও খেলোয়াড়দের মধ্যে ভুল বুঝাবুঝি ছিল এবং কখনও কখনও সম্পর্কে ছেদ পড়েছিল বলেই মনে হয়েছিল। বছরটি হতাশার, দুঃস্বপ্নের মতো কেটে গেলেও মাঠের বাইরের বিভিন্ন সমস্যা ব্যথা এবং যন্ত্রণাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট সম্ভবত ২০২১ সালকে মনে রাখতে চাইবে না। ঘটনাবহুল বছরের নানা স্মৃতি তুলে আনছে বাসস ক্রীড়া বিভাগ।

একটি সংক্ষিপ্ত পরিসংখ্যান :

এ বছর বাংলাদেশ সাতটি টেস্ট খেলেছে। কেবলমাত্র জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এক ম্যাচে জয় পেয়েছে । বাকি পাঁচটিতে হেরেছে, একটি করেছে ড্র।
এ বছর ১২টি ওয়ানডে খেলেছে টাইগাররা। এ ফরম্যাটে সাফল্যের ধারাটা ভালো ছিলো। জিতেছে আটটি ম্যাচ। এ বছর সবচেয়ে বেশি জয় বাংলাদেশেরই। অবশ্য করোনার কারনে বেশ কিছু সিরিজ বাতিল হয়ে যাওয়ায়, অন্যান্য দলগুলো কম ম্যাচ খেলেছে।

টি-টোয়েন্টিতে এ বছর এক বর্ষপঞ্জিতে সর্বোচ্চ ২৭টি ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। এরমধ্যে তারা জিতেছে ১১টি, হেরেছে ১৬টি। আটটি জয় এসেছে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। বিশ্বকাপের আগে ঘরের মাঠে ঐ দু’টি সিরিজ খেলেছিলো টাইগাররা।

সাকিবের প্রত্যাবর্তনের সিরিজ ও মায়ার্সের বিধ্বংসী ব্যাটিং:

আইসিসি কর্তৃক নিষেধাজ্ঞা শেষে এ বছরই ক্রিকেটে ফিরেন সাকিব। মাঠে ফিরে সাকিব প্রমান করেছেন, ক্রিকেট থেকে দূরে থাকলেও পারফরমেন্সে ছেদ পড়ে না। তিন ওয়ানডে সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইটওয়াশ করা সিরিজের সেরা খেলোয়াড় হন সাকিব। সিরিজে ব্যাট হাতে ১১৩ রান ও ৬ উইকেট নিয়েছিলেন সাকিব।

Leave a Reply

Your email address will not be published.