সুপ্রীমকোর্ট তত্ত্বাবধায়ককে অবৈধ বলে দিয়েছে: আইনমন্ত্রী

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশনারের মেয়াদ গত ১৪ ফেব্রুয়ারী শেষ হয়েছে। যারা বিএনপি রাজনীতি করেন যারা বিএনপিকে ক্ষমতায় দেখতে চান, কিন্তু বিএনপির রাজনীতি করেন না কিন্তু বিএনপির সুবিধাভোগী। তারা এমন কিছু এনজিও, তারা যে কোথাকার আমিও বলতে পারব না আপনিও বলতে পারবেন না তারা এমনে এমনেই দোলে। তারা (বিএনপি) রাষ্ট্রপতির কাছে দাবি করে আসতে থাকল যে আইনের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে। এইটা যদি না হয় তাহলে সুষ্ঠ নির্বাচন হবে না। আওয়ামী লীগ বা মহামান্য রাষ্ট্রপতির যে নির্বাচন কমিশন বানাবেন সেইটার অধীনে বিএনপি নির্বাচন করবে না।

শুক্রবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৫টার সময় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা আওয়ামীলীগের আহবায়ক জয়নাল আবেদীনের সভাপতিত্বে বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির ব্যাক্তব্যে এসব কথা বলেন কসবা-আখাউড়া সংসদ সদস্য আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এমপি।

এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, বিএনপি বললেন যে উনারা তত্বাবধায়ক সরকার চান। তত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে তারা নির্বাচন করবেন। আমার কাছ একটি এনজিও আইনের খসড়া দিলেন, আমি বললাম তাদের এমন একটি আইন হোক আমিও চাই। কিন্তু এই করোনার কারণে হয়ত এই নির্বাচনে, নির্বাচন কমিশনারের আইনটি নাও হতে পারে। আমার কাছে যেসব ড্রাফট দেওয়া হয়েছিল। সেগুলো দেখে যথাযথ মর্যাদা দিয়ে যতটুকু নেওয়া যায় তা নিয়ে নির্বাচন কমিশন আইন করেছি। তারপর ২২টি সংশোধনী নিয়ে সংসদে সেই আইন পাশ হয়েছে।

তিনি আরো বলেন,আমাদের সংসদ এবং সুপ্রীম কোর্ট তত্ত্বাবধায়ককে অবৈধ বলে দিয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার আর নাই। নির্বাচন কমিশন নিয়োগ আইনও হয়ে গেছে। এসব বকোয়াছ কথাবার্তা বলে আন্দোলন করার চেষ্টা করলে আওয়ামীলীগের প্রতিটি কর্মী ঘরে ঘরে দূর্গ ঘরে তুলে তাদের আন্দোলনের চেষ্টা ব্যর্থ করে দিবে।

এ সময় সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহবায়ক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কাসেম ভূইয়া, পৌর মেয়র তাকজিল খলিফা কাজল, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি এড. আব্দুল্লাহ ভূইয়া বাদল প্রমুখ। এছাড়াও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন। সভায় আগামী ১২ মার্চ উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত হয়।

পারভেজ/বার্তাবাজার/এম আই

Leave a Reply

Your email address will not be published.