সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২২

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রসাশন আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে, রোহিঙ্গা সংখ্যালঘুদের ওপর মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী যে সহিংসতা গণহত্যা চালিয়েছে তা মানবতাবিরোধী অপরাধের শামিল।

তবে রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যার বিষয়ে বাইডেন প্রশাসনের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে মিয়ানমার। বিবৃতিতে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলমান জনগোষ্ঠীকে আবারও ‘বাঙালি’ হিসেবে অভিহিত করেছে মিয়ানমার।

গতকাল মঙ্গলবার (২২ মার্চ) সন্ধ্যায় মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের ফেসবুকে গণহত্যার বিষয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদে লিখেছে, গণহত্যাবিষয়ক সনদের অন্যতম পক্ষ হিসেবে জাতিসংঘের সনদসহ সংশ্লিষ্ট সব ধরনের বাধ্যবাধকতা পূরণে মিয়ানমার বদ্ধপরিকর। মিয়ানমার এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের গণহত্যার কর্মকাণ্ডে যুক্ত হয়নি। তা ছাড়া জাতি, ধর্ম কিংবা অন্য কোনো গোষ্ঠীকে পুরোপুরি কিংবা আংশিকভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়ার কোনো কর্মকাণ্ডে মিয়ানমার যুক্ত হয়নি।

মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার বিবৃতিতে যা তুলে ধরেছেন, তা বাস্তবতা থেকে অনেক দূরে। তার বর্ণনায় যা উঠে এসেছে, তা অবিশ্বস্ত সূত্র এবং যাচাই না করেই প্রচারিত ঢালাও মন্তব্য। তাই মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কঠোরভাবে তার ওই বিবৃতি প্রত্যাখ্যানের দাবি জানিয়েছে। তারা বলেছে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মন্তব্য একটি স্বাধীন দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের শামিল।

বার্তাবাজার/এম আই

Leave a Reply

Your email address will not be published.