যুবলীগ নেতার হাতের কব্জি কেটে ফেলেছে প্রতিপক্ষরা

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলায় হযরত আলী নামে এক যুবলীগ নেতার হাতের কব্জি কেটে ফেলেছে প্রতিপক্ষরা। এ সময় আরও তিনজনকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১০ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার বড় শিমলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- উপজেলার ৫নং শিমলা রোকনপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও বড় শিমলা গ্রামের আবুল হাসেমের ছেলে হযরত আলী, আমজাদ আলীর ছেলে জামির হোসেন ও জহির হোসেন এবং বাদু মণ্ডলের ছেলে জাকির হোসেন।

স্থানীয়রা জানান, বিকালে গ্রামের স্কুল মাঠের কোনায় বসে ছিল হযরত আলী। এ সময় গ্রামের আসাদুল ইসলাম, সোহেল হোসেন ও ফজেরসহ কয়েকজন এসে তার ওপরে হামলা চালায় এবং এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে।

প্রাণ বাঁচাতে হযরত আলী স্কুলমাঠের পাশের একটি বাড়িতে আশ্রয় নেন। এ সময় সেখানেও হামলা চালায় তারা। হযরত আলীকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে জামির, জহির ও জাকিরকেও কুপিয়ে জখম করে তারা। এসময় কুপিয়ে হযরতের ডান হাতের কব্জি কেটে ফেলে ও দুই পায়ে উপর্যুপরি কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। হামলার সঙ্গে জড়িত ও আহতরা সবাই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে।

আহত জমির হোসেন জানান, হযরতকে বাঁচাতে গিয়ে তাদের দুই ভায়ের ওপরেও হামলা চালানো হয়েছে। হযরতের ডান হাতের কব্জি কেটে ফেলা হয়েছে। দুই পায়ের অবস্থাও খারাপ।

৫নং শিমলা রোকনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাসির চৌধুরী জানান, যারা হামলা করেছে তারা সবাই গত ইউপি নির্বাচনে পরাজিত মেম্বর প্রার্থীর সমর্থক। আর হযরত আলী ছিল বিজয়ী মেম্বর প্রার্থীর সমর্থক।

কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. আজগর আলী জানান, আহত তিনজনকে যশোর সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। এরমধ্যে হযরতের অবস্থা গুরুতর। তার ডান হাতের কব্জি কেটে পড়ে গেছে।

কালীগঞ্জ থানার পরিদর্শক তদন্ত মতলেবুর রহমান জানান, একজনের হাতের কব্জি কেটে ফেলার কথা শুনেছি। হামলার ঘটনা শুনে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

বার্তাবাজার/জে আই

Leave a Reply

Your email address will not be published.