October 6, 2022

মিয়ানমারের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্যে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠীর ওপর দেশটির সামরিক বাহিনী উদ্দেশ্যমূলকভাবে যে নিপীড়ন চালিয়েছে, তাকে প্রথমবারের মতো গণহত্যা হিসেবে স্বীকার করল জো বাইডেন প্রশাসন।

রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর চালান গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রমাণ পেয়েছে ওয়াশিংটন, কয়েকজন শীর্ষ মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে এ খবর জানিয়েছে সিএনএন।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন সোমবার (২১ মার্চ) ওয়াশিংটন ডিসির ইউএস হলোকাস্ট মেমোরিয়াল মিউজিয়ামে এক অনুষ্ঠানে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের এই আনুষ্ঠানিক অবস্থানের ঘোষণা দেবেন বলেও জানিয়েছে ওই মার্কিন সংবাদ মাধ্যম।

এদিকে, শুরু থেকেই মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর যে নির্মমতা চালানো হয়েছে, তাকে জাতিগত নিধনযজ্ঞ বলে আসছিল জাতিসংঘ। তবে হত্যা, ধর্ষণ, জ্বালাও-পোড়াওয়ের সেইসব ঘটনাকে গণহত্যা বলা নিয়ে দ্বিধায় ছিল যুক্তরাষ্ট্র।

২০১৭ সালের আগস্টে মিয়ানমারের দক্ষিণপশ্চিমে মুসলিম সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা জাতিগোষ্ঠীর ওপর দেশটির সেনাবাহিনীর ব্যাপক দমন-পীড়ন শুরু হলে প্রায় ১০ লাখ মানুষ সীমান্ত পার হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। ওই ঘটনায় মিয়ানমারের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ আনার প্রস্তাব করে জাতিসংঘ।

২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের পক্ষ থেকে বলা হয়, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে “ভয়ানকভাবে, বিস্তৃতভাবে এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সেখানকার জনগোষ্ঠীর মধ্যে ত্রাস সৃষ্টি করেছে এবং রোহিঙ্গাদের নিজভূমি থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এরইমধ্যে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় জড়িত মিয়ানমারের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা মিন অং হ্লাইংসহ কয়েকজন সামরিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

বার্তাবাজার/জে আই

Leave a Reply

Your email address will not be published.