মাথাপিছু আয় বাড়লে বাল্যবিয়ে কমবে: পরিকল্পনামন্ত্রী

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, বাংলাদেশে বাল্য বিবাহের পেছনে যে সব নিয়ামক কাজ করছে তার মধ্যে দারিদ্রতা অন্যতম। অনেক অভিভাবক আর্থিক অভাবের কারনে মেয়েকে আর লেখাপড়া করাতে চান না। বিয়ে দিয়ে দেন। তাই দেশে মাথাপিছু আয় বাড়লে বাল্যবিয়ে কমবে বলে মনে করেন তিনি। তবে বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে আমাদের সোচ্চার হতে হবে।

মঙ্গলবার (১ মার্চ) রাজধানীর আন্তর্জাতিক সম্মেলন কক্ষে ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা ও শিশু সুরক্ষা শীর্ষক ২০ তম চাইল্ড পার্লামেন্ট অধিবেশনে অংশ নিয়ে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। ১৫টি জেলার ১৬টি সুবিধাবঞ্চিত ও প্রান্তিক অঞ্চলের শিশুরা এই অধিবেশনে অংশগ্রহণ করে।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশেই বাল্যবিয়ে হয়েছে। অনেক দেশ এটা কমিয়ে এনেছে। এখনো আমাদের শহর ও গ্রামে চুপিসারে বাল্যবিয়ে হচ্ছে। এটার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে হবে। অনেক প্রতিবাদ দেখি, শিশু বিবাহ হলে শিশু নিজেই রুখে দাঁড়ায়। আমি তাদের স্যালুট জানাই। মাঠ প্রশাসনও শিশু বিবাহ রুখতে কাজ করছে।

মন্ত্রী বলেন, আমাদের সমাজে অনেকে আছেন যাদের মাসিক গড় আয় ৫ হাজার টাকা। আবার অনেকে আছেন যাদের গড় আয় ৫ কোটি টাকা। আমরা ফাইভ-জি নিয়ে কাজ করছি। ইতোমধ্যেই এই বিষয়ে প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তবে দেশে এখনো অনেকে টু-জি ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। আমরা সকলকে নিয়েই সামনে এগিয়ে যাব।

সর্বস্তরে বাংলা ব্যবহারে গুরুত্বারোপ করে এম এ মান্নান বলেন, কেন শুধু ইংরেজিকে প্রাধান্য দিতে হবে? ইংরেজি ভাষায় কথা না বলেও পাহাড়-সমুদ্রসহ পৃথিবীর সব কিছু জয় করছে চীন-রাশিয়া। কেউ আমাদের মাথায় ঢুকিয়ে দিয়েছে ইংরেজি ছাড়া চলে না। বাংলা ভাষা ও জয় বাংলা আমাদের সংস্কৃতি। জয় বাংলা ও জয় বঙ্গবন্ধু বলতে হবে।

বার্তাবাজার/জে আই

 

Leave a Reply

Your email address will not be published.