October 3, 2022

পটুয়াখালীর বাউফলে ক্ষেত থেকে তরমুজ ছিড়ে নিতে বাঁধা দেয়ায় হামলা চালিয়ে ক্ষেত মালিকসহ ৩জনকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর আহত করেছে। বৃহস্পতিবার (২৪ মার্চ) দুপুরের দিকে উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের মমিনপুর চরে ওই ঘটনা ঘটেছে।

আহতরা  হলেন, তরমুজ ক্ষেতের মালিক মো. জাফর বয়াতি (৪০), তার বড় ভাই জাহাঙ্গীর বয়াতি (৪৫) ও তরমুজ ক্ষেতের শ্রমিক মো. হারুন রাঢ়ী (৪৫)। আহতের বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বেলার ১২টার দিকে মমিনপুর গ্রামের মজিবর বিশ্বাসের ছেলে মো. রাব্বি (১৭), জিহাদ (১৮), জিসান (১৪),  মোজাম্মেল বিশ্বাসের ছেলে শাওন তরমুজ ক্ষেত থেকে তরমুজ চুরি করছিল। এসময় ক্ষেত মালিক জাফর বয়াতি তাদের ধরে ফেলেন। পরে বিষয়টি মজিবর বিশ্বাসকে জানানো হলে তিনি ছেলেদের পক্ষ থেকে ক্ষমা চান।

এঘটনার কিছুক্ষণ পরে আবারও ক্ষেত থেকে তরমুজ ছিড়েন জিসান, জাহিদ, রাব্বি ও শাওন। এতে ক্ষেত মালিক জাফর বয়াতি বাঁধা দিলে কথা- কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে মজিবর বিশ্বাসসহ অন্যান্য ১০/১২ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল কোদাল, খোন্তা ও  লাঠি নিয়ে হামলা চালায়।  হামলায় কোদালের কোপে ক্ষেতের শ্রমিক হারুনের মাথা গুরতর জখম হয়। বেধড়ক মারধর করা হয় জাফর বয়াতি ও জাহাঙ্গীর বয়াতিকে। অসংখ্য তরুমজ গাছ ও ফল ছিড়ে নষ্ট করে ফেলেন ওই হামলাকারীরা।

ক্ষেত মালিক জাফর বয়াতি বলেন, গত কয়েক দিন যাবৎ দিনে ও রাতের আঁধারে তারা আমার ক্ষেত থেকে প্রায় ২৫০ তরমুজ চুরি করে। প্রায় দেড় লাখ টাকার ক্ষতি সাধন করেছে। আজ ক্ষেত থেকে তরমুজ চুরির সময় হাতেনাতে ধরে ফেলি। এতে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে আমাদের উপর হামলা চালায়।

এবিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আল মামুন বলেন, এখনো কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

হান্নান/বার্তাবাজার/এ.আর

Leave a Reply

Your email address will not be published.