October 1, 2022

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আওয়ামী লীগের আলোচনা সভায় গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমরা দেখেছি ‘৭৫ সালের পর ‘বঙ্গবন্ধু’ নামটি এদেশে নিষিদ্ধ ছিল। একটা ছবিও দেখানো যেত না।

৭ মার্চের ভাষণও নিষিদ্ধ ছিল। স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত হত কিন্তু মহানায়কের নাম বলা যাবে না। বিজয় দিবস উদযাপিত হত কিন্তু যার জন্য এই বিজয়, তার নাম নেওয়া যাবে না। এটা স্বাভাবিক ছিল কারণ যারা তখন ক্ষমতায় ছিল, তারা কখনো স্বাধীনতা চায়নি। শুক্রবার (১৮ মার্চ) এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরও বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অল্প সময়েই যুদ্ধবিধ্বস্ত এই দেশকে স্বল্পোন্নত করেছিলেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতির পিতা যুদ্ধবিধ্বস্ত এই দেশকে গড়ে তুলতে মাত্র সাড়ে ৩ বছর সময় পেয়েছিলেন। এই অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি দেশকে একটি স্বল্পোন্নত দেশে পরিণত করেছিলেন।

তিনি আরও বলেন, ১৫ আগস্ট আমাদের জাতীয় জীবনে একটি দুর্ভাগ্যের দিন। কারণ এ দিন ঘাতকের নির্মম বুলেট কেড়ে নেয় জাতির পিতার প্রাণ। সংবিধান লঙ্ঘন করে যারা জাতির পিতাকে হত্যা করেছিল, তারা আমাদের দেশে আসতে দিতে চায়নি। শত বাধা উপেক্ষা করে আমি দেশে ফিরে এসেছিলাম। দেশে ফিরে এসেছিলাম একটি লক্ষ্য সামনে নিয়ে। সেই লক্ষ্য হলো- আমার বাবা সারা জীবন যে সংগ্রাম করে গেছেন, তা যেন ব্যর্থ না হয়।

তিনি আরও বলেন, আমরা দেখেছি ‘৭৫ সালের পর ‘বঙ্গবন্ধু’ নামটি এদেশে নিষিদ্ধ ছিল। একটা ছবিও দেখানো যেত না। ৭ মার্চের ভাষণও নিষিদ্ধ ছিল। স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত হত কিন্তু মহানায়কের নাম বলা যাবে না। বিজয় দিবস উদযাপিত হত কিন্তু যার জন্য এই বিজয়, তার নাম নেওয়া যাবে না। এটা স্বাভাবিক ছিল কারণ যারা তখন ক্ষমতায় ছিল, তারা কখনো স্বাধীনতা চায়নি।

বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে আমরা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। আজ আমাদের এগিয়ে যাওয়ারর পালা। শিশুরাই আমাদের ভবিষ্যৎ। বাংলাদেশকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য তাদেরকে গড়ে তুলতে হবে।

বার্তাবাজার/এম.এম

Leave a Reply

Your email address will not be published.