ন্যাটো নিয়ে যে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন জেলেনেস্কি

১৩দিন পার হয়ে গেলো ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযানের। পশ্চিমা বিশ্বের কাছে বারবার সামরিক সহায়তা চেয়েও ব্যর্থ ইউক্রেন। না রাশিয়া আর না পশ্চিমাদের কেউ এখনো সামরিক সহায়তা করেছে ইউক্রেনকে। জীবন বাঁচাতে এরই মধ্যে প্রায় ২০ লাখ ইউক্রেনীয় আশ্রয় নিয়েছেন পোল্যান্ড ও রোমানিয়ায়।

বিষয়টি নিয়ে এরই মধ্যে তৃক্ত অভিজ্ঞতা ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট ভলোদোমির জেলেনস্কির। তাইতো উপলব্ধিতে পরিবর্তন আনতে বাধ্যই হলেন পশ্চিমা বিশ্ব এবং ন্যাটো জোটের উপর। জেলেনস্কির মতে, ন্যাটো রাশিয়ার সঙ্গে সংঘাতে যেতে আগ্রহী নয়।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জেলেনস্কি বলেন, ‘আসলে ইউক্রেনকে গ্রহণ করার জন্য প্রস্তুত নয় ন্যাটো। আমরা ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা করে বুঝতে পেরেছি এই জোট বিতর্কিত কোনো বিষয়ে জড়াতে চায় না এবং রাশিয়ার সঙ্গে সংঘাতে যেতে ভয় পায়।’

উল্লেখ্য, চলমান এই রাশিয়া-ইউক্রেন যদ্ধের অন্যতম কারন এই ন্যাটো। কয়েক বছর আগে ন্যাটোর সদস্যপদের জন্য আবেদন করে ইউক্রেন। তবে, এই আবেদন ভালোচোখে নেননি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এরপর থেকেই ব্যাপারটিকে ঘিরে ইউক্রেনের সাথে রাশিয়ার দ্বন্দ্বের মাত্রা চরমে ওঠে।

আর রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সেই ক্ষোভের আগুনে ঘি ঢালতে এরই মধ্যে ইউক্রেনকে ‘সহযোগী দেশ’ হিসেবে মনোনীত করেছে ন্যাটো।

ন্যাটোর সদস্যপদের জন্য আবেদন প্রত্যাহারে ইউক্রেনের ওপর চাপ প্রয়োগ করতে থাকে রাশিয়া। হুমকিস্বরূপ গত দুই মাস রাশিয়া-ইউক্রেন সীমান্তে প্রায় দুই লাখ সেনা মোতায়েন রেখেছিল মস্কো। কিন্তু তাতে কাজ না হওয়ায় গত ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়া।

বার্তাবাজার /না. সা.

Leave a Reply

Your email address will not be published.