তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠীর ৪ দফা দাবি

হিজরা জনগোষ্ঠীকে ‘তৃতীয় লিঙ্গ’ স্বীকৃতি দিলেই হবে না, তা বাস্তবায়নে সরকারকে নীতি ও আইন প্রণয়ন করতে হবে। পাশাপাশি এ সমাজের মানুষের নেতিবাচক মনোভাব দূর করতে হবে। তৃতীয় লিঙ্গের লোকদের শিক্ষাব্যবস্থার অন্তর্ভুক্তি করতে হবে। যাতে এ জনগোষ্ঠীকেও সবাই মানুষ মনে করে। এর পাশাপাশি ৪ দফা দাবিও জানিয়েছেন তারা।

বৃহস্পতিবার (১০ মার্চ) সম্পর্কের নয়া সেতু সংঘের আয়োজনে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ কমপ্লেক্সে আয়োজিত বৈশ্বিক মহামারি করোনাকালীন সময় লিঙ্গ বৈচিত্রময় জনগোষ্ঠীর সংকট মোকাবিলায় গোলটেবিল বৈঠকে এসব দাবি জানান তারা।

তারা জানায়, ‘তৃতীয় লিঙ্গ’ হিসেবে স্বীকৃতি দিলেই হবে না, তা বাস্তবায়নে নীতি ও আইন প্রণয়ন করতে হবে। এর পাশাপাশি পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে হিজড়া জনগোষ্ঠীকে নিয়ে যে নেতিবাচক মনোভাব, তার পরিবর্তন ঘটাও জরুরি।

শুভেচ্ছা বক্তব্যে ‘সম্পর্কের নয়া সেতু’ সংঘের সভাপতি জয়া সিকদার বলেন, এ সমাজের মানুষের নেতিবাচক মনোভাব দূর করতে হবে। তৃতীয় লিঙ্গের লোকদের শিক্ষাব্যবস্থার অন্তর্ভুক্তি করতে হবে। যাতে এ জনগোষ্ঠীকেও সবাই মানুষ মনে করে।

তৃতীয় লিঙ্গের সদস্যদের দাবিগুলো হলো :

১. সরকারিভাবে দুর্যোগকালীন তহবিল গঠন করা।

২. কার্যক্ষম লিঙ্গবৈচিত্রময় জনগোষ্ঠী এবং সংগঠনগুলোকে তালিকাভুক্ত করা।

৩. যাতে এ জনগোষ্ঠীর সদস্যরা সবসময় সরকারি সুযোগ সুবিধা ভোগ করতে পারে ও জাতীয় পরিচয় পত্রের সকল জটিলতা দূর করে সকলের জন্য বৈষম্যহীন নীতিমালা চালু করা।

৪. সরকারি হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রগুলোতে এই জনগোষ্ঠীর জন্য আলাদা কর্নার তৈরি করা।

এ সময় জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের উপ-পরিচালক এম. রবিউল ইসলাম, ঢাকা সিভিল সার্জন অফিসের প্রতিনিধি মেডিকেল অফিসার ফারহানা কবির প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বার্তাবাজার/জে আই

Leave a Reply

Your email address will not be published.