তিব্বতের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে যা বললেন জাতিসংঘ প্রতিনিধি

জেনেভায় তিব্বতের সংখ্যালঘুদের চলমান মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন দেশটির জাতিসংঘ প্রতিনিধি। পাশাপাশি সংখ্যালঘুদের এ সমস্যা সমাধানে চীনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

জাতিসংঘের অ্যাডভোকেসি অফিসার কালডেন সোমো বলেন, তিব্বতিরা তিব্বতে কর্মসংস্থানের সুযোগের অভাব সহ সামাজিক এবং জনসংখ্যাগত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে।

আগুনে পুড়ে জীবন বিসর্জন দেওয়া তিব্বতিদের সংখ্যা পেরিয়েছে রেকর্ডের ঘর৷ রাজনৈতিক কারণে আত্মহননের এহেন ঘটনা ইতিহাসে এর আগে দেখা যায় নি৷ ধর্মশালা থেকে একথাই জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা৷

অন্যদিকে, চীনা আগ্রাসনের বিরুদ্ধে তিব্বতিদের স্বাধীনতা এবং আধ্যাত্মিক নেতা দলাই লামার প্রত্যাবর্তনের দাবি আজও সামরিক পুলিশের বুটের লাথির মোকাবিলা করতে পারে নি৷ তাই এখনও তিব্বতে চীনা দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে প্রতিবাদস্বরূপ আগুনে পুড়ে আত্মাহুতি দিয়ে চলেছে তরুণ সন্ন্যাসী, সাধারণ তিব্বতিরা৷
কালডেন সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কয়েকটি তিব্বতি মাধ্যম স্কুল এবং অন্যান্য অনানুষ্ঠানিক তিব্বতি ভাষার ক্লাস বন্ধ করার বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি দুই মাস আগে চীনের তথাকথিত সিচুয়ান প্রদেশের কার্দজে প্রিফেকচারে স্থানীয় সরকার কর্তৃক ড্রেগো মঠের সাথে সংযুক্ত একটি স্কুল ধ্বংসের ঘটনা উল্লেখ করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.