চীনে আবারও লকডাউন, নতুন নির্দেশনা

মহামারি করোনা ভাইরাসের প্রভাব শেষ হবার নয়। আবার নতুন করে হানা চিচ্ছে চীনে এর মধ্যেই ভাইরাসটির প্রভাবে আতঙ্ক ছড়াল উত্তর-পূর্ব চিনের চাংচুনে শহরে। এ শহর থেকে সংক্রমণ যাতে অন্য কোথাও ছড়িয়ে না পড়ে, তাই আগে শহরটির নয় কোটি মানুষকে ‘ঘরবন্দি’ করল চীন প্রশাসন। জিলিন প্রদেশের রাজধানী চাংচুন।

এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্পশহর। সংক্রমণ ঠেকাতে লকডাউন জারি করা হয়েছে। ২০২০ সালে মহামারীর পর চীনে এই প্রথম একদিন ১ হাজার ছাড়িয়েছে করোনা ভাইসারের ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনে শনাক্তের সংখ্যা। চলতি সপ্তাহে এই তথ্য জানান দেশটির সরকার।

চীনে করোনা ভাইরাসের প্রভাবে নতুন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে:

i. উত্তর-পূর্ব চীনের চাংচুন শহরে অবস্থানরত ১ কোটি বাসিন্দাকে বাড়ি থেকে কাজ করতে বলেছে এবং শীঘ্রই স্বাস্থ্য পরীক্ষা জোরদার করবে বলে জানানো হয়েছে।

ii. চাংচুন, জিলিন প্রদেশের বাসিন্দাদের দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতে প্রতি দুই দিনে বাইরে যাওয়ার নির্দেশ।

iii. গতকাল শুক্রবারের পরিসংখ্যান দেখায় যে ১৩৬৯ জন নতুন করে শনাক্ত হয়েছে।

iv. সাংহাই এবং অন্যান্য বড় শহরগুলির কর্তৃপক্ষ ওমিক্রনকে থামাতে লক্ষ্যবস্তু লকডাউন এবং পরীক্ষা জোরদার করেছে।

v. বেইজিংয়ে, বেশ কয়েকটি আবাসিক এলাকা আংশিকভাবে তালাবদ্ধ করা হয়েছে।

vi. সাংহাইয়ে অবস্থিত স্কুলগুলিকে বন্ধ করে অনলাইন নির্দেশে স্থানান্তরিত করার নির্দেশ দিয়েছে।

vii. ২০১৯ সালে কোভিড-১৯ এর পর চীন সরকার এটিকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সীমানা বন্ধ রেখে স্ন্যাপ লকডাউন এবং গণ পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে রেখেছে।

viii. চীনের কেন্দ্রীয় অর্থনৈতিক পরিকল্পনা সংস্থা সম্প্রতি সতর্ক করেছে যে বড় লকডাউনগুলি অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্থ করতে পারে এবং একজন শীর্ষ চীনা বিজ্ঞানী গত সপ্তাহে বলেছিলেন যে, দেশটির লক্ষ্য অন্যান্য দেশের মতো ভাইরাসের সাথে সহাবস্থান করা উচিত।

বার্তাবাজার/এম.এম

Leave a Reply

Your email address will not be published.