September 26, 2022

নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলায় আম গাছে আসতে শুরু করেছে মুকুল। গত বছরের তুলনায় চলতি বছর গাছে আমের মুুকুলের পরিমাণ কিছুটা বেশি দেখা যাচ্ছে। চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে এই মুকুলের ঘ্রাণ। আম চাষি এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আমের বাম্পার ফলনের আশা করছে এবার। তবে আমের ফলন নির্ভর করছে আবহাওয়ার ওপর বলেও মনে করে কৃষি বিভাগ।

আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে এ বছর আমের বাম্পার ফলনের সম্ভবনা রয়েছে। আর এ কারণেই আশায় বুক বেঁধে চাষিরা আম চাষে শুরু করেছেন পরিচর্যা। তাদের আশা, চলতি মৌসুমে তারা আম থেকে অর্থনৈতিক ভাবে অনেক লাভবান হবেন।

সরেজমিনে নানা জাতের আমের বাগান ঘুরে দেখা গেছে, বাগানের সারি সারি গাছে শোভা পাচ্ছে কেবলই ছোট বড় অনেক মুকুল। চারদিকে ছড়াচ্ছে সেই মুকুলের সুবাসিত পাগল করা ঘ্রাণ। আমের মুকুলের মিষ্টি ঘ্রাণে মৌ মৌ করছে প্রকৃতি।

উপজেলার চাঁচকৈর বাজার পাড়া মহল্লার রাশিদুল ইসলাম বলেন, এবার আগে ভাগে এসেছে মুকুল। এখন আমের ফলন পেতে ছত্রাকনাশক প্রয়োগসহ আম গাছ পরিচর্যায় সময় দিতে হচ্ছে।

বিয়াঘাট এলাকার রাজ্জাক শেখ বার্তা বাজারকে বলেন, আমাদের বাগানের অধিকাংশ গাছই মুকুলে ছেয়ে গেছে। এবার কুয়াশা কম থাকায় মুকুল ভালো ভাবে ফুটেছে। আবহাওয়া ভালো থাকলে এবার আমের বাম্পার ফলন হবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হারুনর রশীদ বার্তা বাজারকে বলেন, আমের মুকুল আসার আগে- পরে যেমন আবহাওয়ার প্রয়োজন, এবছর তা বিরাজ করছে। জানুয়ারি থেকে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত আম গাছে মুকুল আসার আদর্শ সময়। এসময়ে

মুকুলের প্রধান শত্রু হচ্ছে কুয়াশা। এখন পর্যন্ত কুয়াশা কম এবং আকাশে উজ্জল রোদ থাকায় আমের মুকুল ভালো ফুটছে। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবং সময়মতো আম গাছে পরিচর্যা করলে চলতি মৌসুমে আমের ভালো ফলন পাওয়া যাবে।

তানিম/বার্তাবাজার/এ.আর

Leave a Reply

Your email address will not be published.