কোটচাঁদপুরে নির্ধারিত দামে মিলছে না সয়াবিন তেল 

কোটচাঁদপুর প্রতিনিধি:
বাজারে সয়াবিন তেলের দাম নিয়ে অসাধু ব্যবসায়ী সেন্ডিকেটের কারসাজি থামছেই না। প্রকাশ্যে নেওয়া হচ্ছে সরকারের নির্ধারিত দামের চেয়েও অধিক।বেশি দাম না দিলে মিলছে না তেল। নেই বলে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে ক্রেতাদের। সুযোগ বুঝে অসাধু ব্যবসায়ীরা গড়ে তুলছে সেন্ডিকেট। শত শত লিটার তেল মজুত করে বাজারে সৃষ্টি করা হচ্ছে কৃত্রিম সংকট। তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণে একের পর এক প্রশাসনের অভিযান চললেও কাজে আসছে না কিছুতেই। জানা গেছে, গত ৬ ফেব্রুয়ারী বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে সয়াবিন তেলের দাম নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। নির্ধারিত দাম অনুযায়ী বাজারে প্রতি লিটার বোতলজাত তেলের খুচরা মূল্য ১৬৮ টাকা, খোলা তেল প্রতি লিটার ১৪৩ টাকা এবং পামওয়েল ১৩৩ টাকা। কিন্তু প্রতি লিটার বোতলজাত তেলের দাম ঠিক থাকলেও খোলা তেলের দাম নেওয়া হচ্ছে লাগামহীন। অনেকটা প্রকাশ্যেই তা বিক্রি হচ্ছে ১৮০-১৮২ টাকা দরে। সোমবার কোটচাঁদপুর মেইন বাজার, মেইন বাসস্ট্যান্ড, কলেজ স্ট্যান্ড, পৌর বাস টার্মিনাল ঘুরে দেখা যায় এই ধরনের অসাধু ব্যবসায়ী মন গড়া দাম নিচ্ছে। কলেজ স্টান্ড বক চত্বরে ভাজা ব্যবসায়ী সাফি জানান ভাজাপোড়া বাদ দিয়ে অন্য কিছু করতে হবে। সরকারের বেধে দেওয়া তালের দাম মানছে না কোনো ব্যবসায়ী আজ সকালেও ১৫৬ টাকা কেজি দরে পামওয়েল কিনে আনলাম। পৌর বাস টার্মিনালের নিউ জার্মানি হোটেলের মালিক আমিরুল বলেন ২ টা পরাটা ১ টা ডিম ভাজা ২৫ টা বিক্রি করছি ৭ বছর। ৮০ টাকার সয়াবিন ১৮০ টাকা কিনছি। সব কিছুর দাম বাড়লেও আমাদের জিনিসের দাম বাড়িনি এভাবে হোটেল চালানো সম্ভব হচ্ছে না। তেল ব্যবসায়ী নিমায় পালের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমরা মেন জায়গা থেকে বেশি দামে কিনছি,তারপর গাড়ি ভাড়া আছে। বেশি দামে কিনে কম দামে তো বেঁচা সম্ভব না। দরকার হলে তেল বেঁচা বন্ধ করে দেবো।ক্রেতা ও সচেতন মহলের দাবী, দাম কমাতে হলে ভাঙ্গতে হবে সিন্ডিকেট। বাড়াতে হবে বাজার তদারকি। নিয়মিত করতে হবে প্রশাসন ও ভোক্তা অধিকারের অভিযান।

Leave a Reply

Your email address will not be published.