সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২২

সেন্টমার্টিন দ্বীপে বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রপ কমাতে কুকুর পূনর্বাসন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এই কার্যক্রমে দ্বীপবাসীর মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে দাবী দ্বীপবাসির।

রোববার (২৭ মার্চ) বিকেলে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের সহতায় সেন্টমার্টিন থেকে কুকুর পুনর্বাসন কার্যক্রম উদ্বোধন করেন টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পারভেজ চৌধুরী। এসময় উপস্থিত ছিলেন সদ্য যোগদানকারী ইউএনও কাইছার খসরু, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মুহিব উল্লাহ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. টিটু চন্দ্র শীল, সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান প্রমুখ।

ইউএনও পারভেজ চৌধুরী জানান, সেন্টমার্টিনে কুকুর বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে পর্যটক ও স্থানীয়রা প্রতিদিন কুকুরের আক্রমনের শিকার হচ্ছে। দ্বীপের লোকজনের কুকুর আতংকে দিন কাটে। এছাড়াও সৈকতে ডিম পাড়তে আসা কচ্ছপের ডিম নষ্ট করে ফেলছে। ফলে নিধন প্রক্রিয়ায় না গিয়ে সুশৃংখল উপায়ে দ্বীপ থেকে কুকুর পুনর্বাসন কাজ শুরু করা হয়েছে।

উপজেলা প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মুহিব উল্লাহ জানান, দ্বীপ থেকে অন্তত অর্ধেক কুকুর সরানো পরিকল্পনা রয়েছে।প্রথম দিনে অন্তত ৩০টির মতো কুকুর টেকনাফে আনা হচ্ছে। কুকুরগুলো যেনো অভূক্ত না থাকে সে দিকটা বিবেচনা করে টেকনাফের মূল ভূখণ্ডের সাবরাং, শাহপরীর দ্বীপ, ঘোলারচর ও বাহারছড়াসহ উপজেলায় বিভিন্ন জায়গায় পুনর্বাসন করা হবে।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান জানান, সেন্টমার্টিন দ্বীপে অন্তত ৩ হাজারের অধিক বেওয়ারিশ কুকুর বিচরন করছে। এই পর্যন্ত অর্ধ শতাধিকের বেশি দ্বীপের বাসিন্দা ও পর্যটক কুকুরের আক্রমনে আহত হয়েছে। ছোট ছোট অনেক শিক্ষার্থী কুকুরের ভয়ে স্কুলে যাতায়াত বন্ধ রেখেছে। বিশেষ করে সৈকতে ডিম পাড়তে আসা কচ্ছপের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। তার প্রেক্ষিতে উপজেলা সমন্বয় সভায় এর প্রতিকার চেয়েছিলাম। তার প্রেক্ষিতে উপজেলা প্রশাসন পদক্ষেপ নিয়েছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে দ্বীপে স্বস্তি ফিরেছে।

খাঁন মাহমুদ/বার্তাবাজার/এম.এম

Leave a Reply

Your email address will not be published.