ইচ্ছা করলে একসঙ্গে ৫টা সিনেমায় লগ্নি করতে পারব : বর্ষা

দেশীয় ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে টেকনিক্যাল দিক থেকে শুরু করে অনেক কিছু দেখিয়েছেন। তাদের মাধ্যমেই দর্শক প্রথমবার বিদেশি সিনেমার মতো অ্যাকশন দেখার সুযোগ পেয়েছেন। বলছি অনন্ত জলিল ও বর্ষার কথা।

দীর্ঘ আট বছর পর নতুন সিনেমা নিয়ে হাজির হয়েছেন এই জুটি। গত ১০ জুলাই দেশের ১১৫টি হলে মুক্তি পেয়েছে তাদের অভিনীত ‘দিন দ্য ডে’ সিনেমাটি। মুক্তির পর থেকেই প্রতিদিন বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তারা। ইতোমধ্যে সিনেমাটি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা কম হয়নি।

বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) রাতে রাজধানীর ধানমন্ডির এক রেস্টুরেন্টে আয়োজিত ‘ডিনার উইথ অনন্ত এবং বর্ষা’ অনুষ্ঠানে অনন্ত ও বর্ষা তাদের ‘দিন দ্য ডে’ও সিনেমার সাম্প্রতিক অবস্থা নিয়ে কথা বলেন।

সিনেমার অবস্থা নিয়ে বর্ষা সাংবাদিকদের বলেন, “লাভ ক্ষতির হিসেব করে সিনেমা করি না। মানুষকে আনন্দ দেয়ার জন্য করি। হয়তো এভাবে আনন্দ দিয়ে চার-পাঁচ বছর পর সরে যাবো। যতদিন ভালোলাগে ততদিন থাকব। তবে কাউকে পার্সোনাল আক্রমণ করা ঠিক না। সবসময়ই আমরা বলি ইন্ডাস্ট্রিতে আমাদের অবস্থান আর অন্য যেকোনও আর্টিস্টদের অবস্থান কিন্তু একরকম না।”

তিনি আরও বলেন, ‘কারণ হিসেবে যদি বলি, আমরা নিজেরাই অর্থলগ্নি করি। নিজেরাই নিজেদের প্রোডাকশনে কাজ করি। ইচ্ছা করলে একসঙ্গে ৫টা সিনেমায় লগ্নি করতে পারব। যে কোনো ছবি দিয়ে যদি সিনেমা হলে দর্শক ফেরানো যায়, এটার একটা জোয়ার থাকে। এবং এই জোয়ারটা ধরে রাখার জন্য পরবর্তীতে আবারও ভালো ছবি বানানোর ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে হবে।’

বাজেটের কারণে বেশ আগে থেকেই আলোচনায় রয়েছে অনন্ত-বর্ষার ‘দিন-দ্য ডে’। বাংলাদেশ ও ইরানের যৌথ প্রযোজনায় সিনেমাটি নির্মাণে খরচ হয়েছে ১০০ কোটি টাকা। এই সিনেমার বাংলাদেশের অংশের প্রযোজক অনন্ত জলিল। অর্থাৎ বাংলাদেশে শুটিংয়ে যে অর্থ ব্যয় হয়েছে, তিনি সেই অংশটুকুতেই লগ্নি করেছেন। অন্যান্য দেশের শুটিংয়ে ব্যয় বহন করেছে ইরানি প্রযোজক।

বাংলাদেশ থেকে যারা প্রবাসে যান, তারা বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হন। বাংলাদেশ, তুরস্ক, আফগানিস্তান, ইরান এই চার দেশ মিলিয়ে ‘দিন দ্য ডে’ সিনেমায় উঠে এসেছে সেই সব লোহমর্ষক প্রেক্ষাপট। ইরানের নির্মাতা মুর্তজা অতাশ জমজমের পরিচালনায় এতে আন্তর্জাতিক সংস্থার পুলিশ অফিসারের চরিত্রে পর্দায় হাজির হয়েছেন অনন্ত জলিল। নানা রকম ভুল মতবাদে আসক্ত সন্ত্রাসীগোষ্ঠীকে দমন অভিযানে অংশ নেন তিনি। অত্যাধুনিক সব প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে এই সিনেমাটিতে নিজেই নিজেকে ছাড়িয়ে গেছেন অনন্ত জলিল। এ ছাড়াও বাংলাদেশ ও ইরানের অভিনয়শিল্পীরা বিভিন্ন চরিত্রে রূপদান করেছেন।

বার্তাবাজার/জে আই

Leave a Reply

Your email address will not be published.