ইউক্রেন ছাড়ছেন ২৫ লাখ মানুষ

রাশিয়ার বিপক্ষে চলমান যুদ্ধে জয়ের পথে রয়েছে ইউক্রেন। এদিকে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন চলছে। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ভোরে ইউক্রেনে ঢুকে হামলা শুরু করে রাশিয়ান সৈন্যরা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এবারই প্রথম ইউরোপের প্রথম দেশ হিসাবে রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনী স্থল, আকাশ এবং সমুদ্রপথে ইউক্রেনে সবচেয়ে বড় এই হামলা শুরু করে।

ইউক্রেনে রাশিয়ার সেনা অভিযানের পর থেকে এখন পর্যন্ত ১৫ দিনে দেশটি থেকে বিভিন্ন দেশে পালিয়ে গেছে ২৫ লাখের বেশি মানুষ। শুক্রবার (১১ মার্চ) জাতিসংঘের অভিবাসন বিষয়ক সংস্থা-আইওএম এ তথ্য জানিয়েছে।

এক টুইটে সংস্থাটি জানায়, প্রায় এক লাখ ২০ হাজার অনান্য দেশের নাগরিকও রয়েছেন। ‘ইউক্রেন থেকে নানা দেশে আশ্রয় নেয়া এসব মানুষদের জরুরি মানবিক সহয়তা দেওয়া দরকার।’ এছাড়াও আরও এক বিবৃতিতে জাতিসংঘ জানিয়েছে, দেশের ভেতরেই উদ্বাস্তুর জীবন পার করছে ইউক্রেনের প্রায় ২০ লাখ মানুষ। তবে সংকট সমাধানের কোনো অগ্রগতি এখনো নেই। উল্টো রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগু জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের ১৬ হাজার স্বেচ্ছাসেবক রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেনে লড়তে প্রস্তুত আছে। সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের বরাতে এখবর জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসি।

অতঃপর, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের গত বৃহস্পতিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় অঞ্চলে সামরিক অভিযানের ঘোষণা দেওয়ার পরপরই দেশটিতে হামলা শুরু করে রুশ সৈন্যরা। ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে রুশপন্থি বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নিয়ন্ত্রিত এলাকা ছাড়াও দেশের অন্যান্য স্থান থেকে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যাচ্ছে। এর আগে ইউক্রেনের ডনবাস প্রদেশে সেনা অভিযানের ঘোষণা দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। বিবিসির খবরে বলা হয়, টেলিভিশনে প্রচারিত এক ভাষণে ‘সেনা অভিযান’ পরিচালনার ঘোষণা দেন পুতিন।

বার্তাবাজার/এম.এম

Leave a Reply

Your email address will not be published.