October 2, 2022

বগুড়ার শেরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের আসন্ন ত্রি-বার্ষিক সন্মেলনে সম্ভব্য সভাপতি প্রার্থী ও বর্তমান সহ-সভাপতি ত্যাগী ও পরীক্ষিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব কর্মীবান্ধব সংগ্রামী জননেতা আলহাজ্ব মুন্সী সাইফুল বারী ডাবলু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে সকল অঙ্গ সহযোগী সংগঠনকে সাথে নিয়ে জননেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মজিবর রহমান মজনু’র দিক নির্দেশনায় দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে শেরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগকে একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক সংগঠন হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য আজীবন কাজ করতে চায়।

তিনি শেরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের আসন্ন ত্রি-বার্ষিক সন্মেলনে সভাপতি পদে কাউন্সিলরদের রায় এবং সকলের দোয়া ও আশির্বাদ কামনা করেছেন।

স্থানীয় সাংবাদিকদের দেয়া সাক্ষাতকারে মুনসী সাইফুল বারী ডাবলু আরো বলেছেন, বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেরপুর-ধুনট এলাকার গনমানুষের প্রিয়নেতা সংগ্রামী জননেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মজিবর রহমান মজনু’র দিক নির্দেশনায় বগুড়া জেলা তথা শেরপুর-ধুনট এলাকায় আওয়ামী লীগের রাজনীতি পরিচালিত হচ্ছে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শেরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের আসন্ন ত্রি-বার্ষিক সন্মেলনে বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের অভিভাবক জননেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মজিবর রহমান মজনু’র যেকোন পরামর্শ তিনি অনুসরণ করবেন।

জননেতা আলহাজ্ব মুনসী সাইফুল বারী ডাবলু ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। ১৯৭৩ সালে তিনি যখন নবম শ্রেনীর ছাত্র। বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সভাপতি আলহাজ্ব মজিবর রহমান মজনু তখন ছাত্রনেতা। তার হাত ধরেই মুনসী সাইফুল বারী ডাবলু’র রাজনীতিতে হাতে খড়ি। একদিন ছাত্রনেতা মজিবর রহমান মজনু ছোনকা হাইস্কুলে গিয়ে ছাত্রদের নিয়ে ছাত্রলীগের সভা করেন। ঐ সভায় মুনসী সাইফুল বারী ডাবলুকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ছোনকা স্কুল শাখায় সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে মনোনীত করা হয়।

১৯৮৩ সালের ৪ঠা সেপ্টেম্বর শেরপুর উপজেলা যুবলীগের প্রথম ত্রি-বার্ষিক সন্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ঐ সন্মেলনে জয়লা গ্রামের আব্দুল বারীকে সভাপতি, মুনসী সাইফুল বারী ডাবলুকে সাধারণ সম্পাদক এবং আশগ্রামের রফিকুল ইসলাম বুলুকে সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত করে শেরপুর উপজেলা যুবলীগের কমিটি গঠন করা হয়। আলহাজ্ব মুনসী সাইফুল বারী ডাবলু ১৯৮৩ সাল থেকে প্রায় একযুগ শেরপুর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি শেরপুর উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক ও বগুড়া জেলা যুবলীগের সহ সভাপতি ছিলেন। তিনি শেরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুব বিষয়ক সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক ও দুই মেয়াদে যুগ্ম সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বর্তমানে শেরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি। তিনি উপজেলা স্কাউট্স এর সহ সভাপতি, তিনি শেরপুর নাগরিক স্বার্থ সংরক্ষন কমিটির সভাপতি। তিনি শেরপুর সার্বিক উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি।

আলহাজ্ব মুনসী সাইফুল বারী ডাবলু আওয়ামী লীগের দুর্দিনে এরশাদ বিরোধী অন্দোলনে এবং বিএনপি জামায়াত জোট সরকার বিরোধী অন্দোলনে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে রাজপথে সামনের কাতারে থেকেই আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন। দীর্ঘ প্রায় ৪০ বছর সক্রিয়ভাবে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত থাকলেও সকল লোভ লালসার উর্ধে থেকে তিনি কাজ করেছেন। দলের গুরুত্বপূর্ণ কোন পদে না থাকলেও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, আগামী দিনে যদি শেরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসাবে তাকে দায়িত্ব দেয়া হয় তাহলে জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে সকল অঙ্গ সহযোগী সংগঠনকে সাথে নিয়ে জননেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মজিবর রহমান মজনু’র দিক নির্দেশনায় দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে শেরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগকে একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক সংগঠন হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য আজীবন কাজ করবেন।

আলহাজ্ব মুনসী সাইফুল বারী ডাবলু ১৯৫৮ সালের ১ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন। মুনসী সাইফুল বারী ডাবলু ১৯৭৮ সালের ৬ মার্চ সিরাজগঞ্জ সদরের গনেরগাঁতী গ্রামের ঐতিহ্যবাহী ভুঁইয়া পরিবারের মরহুম মাজেম আলী ভুঁইয়ার ছোট মেয়ে মোছা: সুলতানা পারভিন নার্গিছ এর সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। আলহাজ্ব মুনসী সাইফুল বারী ডাবলু’র একমাত্র ছেলে প্রভাষক নাহিদ আল মলেক ও একমাত্র মেয়ে মোছা: ফারজানা পারভীন কলি।

তিনি কৃষ্ণপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ছোনকা দ্বিমূখী উচ্চ বিদ্যালয় ও শেরপুর ডিগ্রী কলেজে লেখাপড়া করেছেন। তিনি ভাটরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করলেও সাংবাদিকতাকেই পেশা হিসেবে গ্রহন করেন। তিনি কলেজ জীবন থেকেই লেখালেখি ও সাংবাদিকতার সাথে জড়িয়ে পড়েন। তিনি শেরপুরের ইতিহাস, হজ্বের কাফেলা, হিলি থেকে কাশ্মির, শিকরের সন্ধানে সহ বিভিন্ন গ্রন্থের লেখক।

তিনি বগুড়ার সু-প্রাচীন শেরপুর শহর থেকে প্রকাশিত প্রথম ও বগুড়া জেলার একমাত্র সরকারী মিডিয়ালিষ্ট ভুক্ত বহুল প্রচারিত পাঠকপ্রিয় সাপ্তাহিক পত্রিকা সাপ্তাহিক “আজকের শেরপুর” পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক, বহুল প্রচারিত অনলাইন পত্রিকা শেরপুর নিউজ ২৪ ডট নেট এর উপদেষ্টা সম্পাদক, জাতীয় দৈনিক সংবাদের প্রতিনিধি। তিনি জাতীয় দৈনিক বাংলার বাণী ও দৈনিক ভোরের কাগজের প্রতিনিধি ছিলেন, তিনি বগুড়া থেকে প্রকাশিত উত্তরাঞ্চলের প্রথম দৈনিক পত্রিকা দৈনিক বংলাদেশ এর ষ্টাফ রির্পোটার ও মফস্বল বার্তা সম্পাদক এবং বহুল প্রচারিত দৈনিক উত্তরবার্তায় সহ সম্পাদক ও মফস্বল বার্তা সম্পাদক হিসাবে প্রায় বিশ বছর দায়িত্ব পালন করেছেন।

তিনি ঐতিহ্যবাহী বগুড়া প্রেসক্লাবের একজন সদস্য। তিনি দীর্ঘদিন যাবত শেরপুর ইউনিভার্সাল টেকনিক্যাল বিএম স্কুল এন্ড কলেজের গভনিং বডির সভাপতি। তিনি ভাটরা ইয়াছন্নেছা হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার সভাপতি, তিনি ভাটরা নূর কুদ্দুস জামে মসজিদের সভাপতি, শেরপুর কেন্দ্রীয় শাহী জামে মসজিদের কার্যকরী সভাপতি, তিনি শেরপুর শিশু কল্যান প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, তিনি শাহনাজ পারভীন স্কুল অব হ্যাভেন ফর হিউম্যানেটির ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি।

এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক, শ্রমিক ও মানবাধিকার সংগঠনের সাথেও জড়িত রয়েছেন। তিনি সকলের দোয়া ও আশির্বাদ কামনা করেছেন।

রাশেদুল/বার্তাবাজার/এম আই

Leave a Reply

Your email address will not be published.