আলাদীনের প্রদীপ ই-কমার্সের সিইও ও এমডি পলাতকের অভিযোগ

ই-কমার্স ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আলাদীনের প্রদীপ সিইও ও এমডি মোঃ মেহেদী হাসান (মুন) এবং এমডি লতিফ (মাহমুদ) পলাতকের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শনিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ই-কমার্স এই প্রতিষ্ঠানটির লয়্যাল ও রেগুলার কাস্টমার নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী জিহান উদ্দীন এ অভিযোগ করেন।

জিহান জানান, ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আলাদীনের প্রদীপ ডট কমের ব্যাংক একাউন্ট ফ্রিজ ও গেটওয়ে পোর্টাল ব্লকের পর থেকে কাস্টমার ও মার্চেন্টদের মাঝে টাকা ফেরত পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা যায়। কাস্টমার ও মার্চেন্টদেরকে দমিয়ে রাখতে প্রতিষ্ঠানের সিইও তাদের ফেসবুক পেজে এসে বিভিন্ন ধরনের ভুল তথ্য এবং অর্থ সংকট দেখিয়ে অফিস বন্ধ করে দেয়। এরপর মাঝে মাঝে ফেসবুক লাইভে এসে একাউন্ট আনফ্রিজ হলে মার্চেন্ট ও গ্রাহকদের অর্থ ফেরতের প্রতিশ্রুতি দেয়।

দীর্ঘদিন অপেক্ষার পর মার্চেন্ট ও সেলার প্রতিনিধির সহযোগিতায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরক্ত সচিব এ.এইচ.এম সফিকুজ্জামান এর আন্তরিক প্রচেষ্টায় খুব দ্রুত ব্যাংক একাউন্ট আনফ্রিজের কার্যক্রম শুরু হয়। বাণিজ্য মন্ত্রনালয় থেকে শেষ ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্ট চাওয়া হলে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে মোঃ মেহেদী হাসান (মুন) পলাতক। রিপোর্ট সাবমিট না করে মার্চেন্ট ও কাস্টমারদের বিপদে ফেলে পলাতক রয়েছে। এর মধ্যে তিনি ব্যাংক ডিসপোজিট মাধ্যমে, এডজাস্টমেন্ট ও ডেলিভারি ডান দেখিয়ে প্রায় ৮ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে।যা আলাদীন এক্সপ্রেস নামে ব্রাক ও সিটির দুটি ব্যাংক একাউন্ট এবং আলাাদীনে এজেন্ট ও স্থানীয় রবি অফিসের পেমেন্ট নাম্বার ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানের সিইওর নির্দেশনায় এমডি লতিফ (মাহমুদ) এর সংযোগে সরানে হয়।

জিহান আরো জানান, বর্তামানে মেহেদী হাসান মুনের পাশাপাশি সেও লাপাত্তা! আত্মসাৎকৃত অর্থ মুন তার ব্যক্তিগত ব্যবসায় বিনিয়োগ করতেন। সিরাজগঞ্জের অর্থনৈতিক অঞ্চল, স্থানীয়দের ভাষায় শিল্প পার্ক বালুর প্রজেক্টে এবং অন্য একটি কথিত এনজিওতে বিনিয়োগ করেছেন বলে জনশ্রুতি রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কাস্টমার ও মার্চেন্ট প্রতিনিধিরা সরকার এবং বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব জনাব এ.এইচ.এম সফিকুজ্জামান এর সহযোগিতায় তাদের দ্রত অর্থ ফেরত চান।

ফাহাদ/বার্তাবাজার/এ.আর

Leave a Reply

Your email address will not be published.