October 3, 2022

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার বাদুরতলী গ্রামের ৭০ বছর বয়সের বারেক হাওলাদারের বসত ঘর সংস্কারে বাঁধা দিয়েছে প্রতিপক্ষরা। এতে ভুক্তভোগী পরিবারটি মানবেতর জীবনযাপন করছে। বারেক হাওলাদার ওরফে বারেক মুন্সী সাপলেজা ইউনিয়নের বাদুরতলী গ্রামের মৃত নূর মোহাম্মদ হাওলাদারের পুত্র।

বসত ঘর সংস্কারে ৪৪/৪৫ প্রযোজ্য না হলেও এমপি মামলা নং- ১৩/২০২২ (মঠঃ) ধারা – ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১৪৪/১৪৫ বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত মঠবাড়িয়া, পিরোজপুর স্মারক নং-নিঃ ম্যাঃ আদালত /মঠবাড়িয়া /২০২২-১৭(২) তারিখ ০৩/০৩/২০২২ খ্রি. এর প্রেক্ষিতে থানা পুলিশ বসত ঘর সংস্কার বন্ধে ৩ মার্চ একটি নোটিশ প্রদান করে।

তবে নোটিশ প্রদানকারী মঠবাড়িয়া থানার এএসআই আল আমিন জানান, বসত সংস্কারে বাঁধা প্রদান করা হয় নি।মামলার প্রেক্ষিতে নোটিশ দিয়েছি। এখন এটি আদালতের বিষয়।

মঠবাড়িয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের আইনজীবী এ্যাড. দিলিপ কুমার পাইক জানান,বসত ঘরের ওপর ১৪৪/১৪৫ প্রযোজ্য নয়।আইনে এটি স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে।

জানা গেছে, বারেক হাওলাদারের প্রতিপক্ষ ওই একই এলাকার মৃত সালাম হাওলাদারের পুত্র মো. কবির হোসেন জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে একের পর এক মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানি করে আসছে। স্হানীয় শালিস ব্যবস্হায় ব্যর্থ হয়ে কবির গং ৬০ বছরের পুরনো বসত ঘর সংস্কারের কাজ বন্ধ করতে ওই জমিতে আদালতের মাধ্যমে ১৪৪/১৪৫ এর নোটিশ জারি করে।

বসত ঘরে ১৪৪/৪৫ প্রযোজ্য না হলেও হয়রানি করতেই প্রতিপক্ষরা এ পদক্ষেপ নিয়েছে বলে দাবি ভুক্তভোগী পরিবারটির। মঠবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাঃ নূরুল ইসলাম বাদল জানান,কোর্টের বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারব না।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ঊর্মি ভৌমিককে একাধিকবার ফোন দিয়েও পাওয়া যায় নি। এ বিষয়ে প্রতিপক্ষ কবির হোসেনের নিকট ফোন দিলে তিনি ফোন রিসিভ না করে কেটে দেন।

বার্তাবাজার/এম.এম

Leave a Reply

Your email address will not be published.