সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২২

১লা নভেম্বর থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত এই ৮ মাস ১০ ইঞ্চির চেয়ে ছোট ইলিশ মাছ (জাটকা) ধরা নিষেধ। কিন্তু তারপরও দেদারছে ধরা হচ্ছে জাটকা। আর অসাধু ব্যবসায়ীরা আড়তসহ মাছ বাজারগুলোতে এসব বিক্রি করে চলেছেন।

জাটকা সংরক্ষণে সাভারের আশুলিয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছেন আশুলিয়া রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আনোয়ার হোসেন। বৃহস্পতিবার (৩ মার্চ) সকালে নয়ারহাট ও বাইপাইল মৎস্য আড়তে অভিযান পরিচালিত হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে এব্যাপারে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বার্তা বাজারকে জানান, আজকের জাটকাই আগামী দিনের ইলিশ। কিন্তু অসাধু জেলে এবং মৎস্য ব্যবসায়ীদের নির্বিচারে জাটকা ধরা এবং বিক্রির কারণে ইলিশ খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, আসছে না আশানুরূপ রাজস্ব। এব্যাপারে সচেতনতা বৃদ্ধিকল্পে এবং জাটকা সংরক্ষণে আজ (বৃহস্পতিবার) ভোর ০৫ঃ৪৫ ঘটিকায় আশুলিয়ার নয়ারহাট ও বাইপাইল মৎস্য আড়তে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করি।

এসময় এই দুই আড়ত থেকে প্রায় ১০ কেজি জাটকা ও ৩০ কেজি জেলিযুক্ত চিংড়ি বিক্রয়ের অপরাধে ৩ জনকে মোট ১০ (দশ) হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পরে জব্দকৃত জাটকা আশুলিয়া থানা সংলগ্ন আশরাফিয়া আবাসিক মাদ্রাসা ও এতিমখানায় বিতরণ করা হয় এবং জেলিযুক্ত চিংড়ি বিনষ্ট করা হয়। এধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

অভিযান চলাকালে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ কামরুল হাসান সরকার উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি যেকোনো ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক আল মামুন কবির এর নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।

আল মামুন/বার্তাবাজার/এ.আর

Leave a Reply

Your email address will not be published.