September 26, 2022

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ১০ বছরের শিশু মাদ্রাসা ছাত্রী হাসনা খাতুনকে ধর্ষণ করে হত্যার ঘটনায় আজ বৃহস্পতিবার (৩ মার্চ বিকেলে পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার তৌহিদুল ইসলাম জানান,গত ২৬ ফেব্রয়ারী হাসনা খাতুন (হেমা) সকালে মক্তবে আরবি পড়তে আসে।

পড়া শেষে বড় সাতাইল বাতাইল মধ্যপাড়া জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন ও আরবি শিক্ষক মোরসালিন(১৯) শিশুটিকে ১০ টাকা দিয়ে বিস্কুট কিনে আনার কথা বলে। পরে মক্তব ছুটি হলে মসজিদের সামনে আরবি শিক্ষক মোরসালিন তার থাকার রুমে শিশুটি কে ডেকে আনে। পরে শিশুটির পরনের কাপড় খুলে ফেললে সে তার নানীকে বলে দেওয়ার কথা বললে মোরসালিন শিশুটির গলা টিপে নিস্তেজ করে ধর্ষণ করে।

ধর্ষণের পর শিশুটির পরিহিত হিজাব স্কাপ দ্বারা শ্বাষরোধ করে হত্যা করে। হত্যার পর মরদেহটি বালুর বস্তায় ভরে পাশের বর্ধণকুঠির বাশঝারের মধ্যে ফেলে রেখে আসে। হত্যার পর শিশুটির মরদেহ মোরসালিন বস্তায় ভরিয়ে সাইকেলে করে নিয়ে যাওয়ার ভিডিও ফুটেজটি একটি চায়ের দোকানের সিসি ক্যামেরা থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনার পর মোরসালিনসহ ৪জনকে আটক করে পুলিশ। এরপর জিজ্ঞাসাবাদে মোরসালিন নৃশংস হত্যাকান্ডের বিষয়টি স্বীকার করে। পুলিশ সুপার আরও জানান, দ্রæততম সময়ের মধ্যে মামলা তদন্ত শেষ করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

চারজন আসামীর মধ্যে অন্যান্যরা হলেন আব্দুল আল মামুন (২১) আলামিন (২২) , আরাফাত খন্দকার (১৭)। আসামীদের মধ্যে আব্দুল্লা আল মামুনের বাড়ি নীলফামারী বাকি অন্যসব আসামীরা গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার।

সুমন/বার্তাবাজার/এম.এম

Leave a Reply

Your email address will not be published.