September 26, 2022

দিনের পর দিন নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে লাগামহীন। এতে চরম বিপাকে পড়ছে সাধারণ মানুষ। তবে সব থেকে বেশি বিপদগ্রস্ত নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষেরা। বর্তমান বাজার দর একের পর এক মূল্য বৃদ্ধি বাড়লেও এক টাকাও বাড়েনি রোজগার।

দেশে গত কয়েক সপ্তাহে নিত্যপ্রয়োজনীয় চাল, ডাল, ভোজ্য-তেল, পিয়াজসহ সব কিছুর দাম যেভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে তাতে ক্ষুদ্ধ নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষ।

বেসরকারি চাকরিজীবিদের পাশাপাশি সরকারি চাকরিজীবীরাও বাজার করতে গিয়ে পড়ছে দুশ্চিন্তায়। আয়-ব্যয়ের হিসেব মিলিয়ে উঠতে পারছে না কিছুতেই। সামর্থ্য অনুযায়ী বাজার করতে ঘুরতে হচ্ছে দোকানের পর দোকান।

চাল, ডাল, ভোজ্য-তেল, পিয়াজের পাশাপাশি মাছ, মাংসের দোকানেও আকাশ ছোঁয়া দাম দেখে শুধু সবজি নিয়ে ফিরছে বাড়ি।

এমন পরিস্থিতে চিন্তার ভাজ সকলের জীবনে। তবে সব থেকে বেশি চিন্তিত নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা। নিম্নবিত্তরা কষ্টের কথাগুলো বলতে পারলেও বলতে পারছে না মধ্যবিত্তরা।

রাজধানীর সবচেয়ে বড় পাইকারী বাজার কারওয়ান বাজার। সেখানে প্রতিদিনের ন্যায় শনিবার (৫ মার্চ) বাজার করতে এসেছেন সাজ্জাদ মোল্লা। তিনি একটি বেসরকারি কোম্পানীতে চাকরি করেন। বাজারের দ্রব্যমূল্যর উর্দ্ধগতিতে প্রয়োজনীয় বাজার নিতে পারছেন না পরিবারের জন্য। তিনি বার্তা বাজারকে জানান, করোনা মহামারিতে দুইবছরেও বাড়েনি বেতন। তবে প্রয়োজনীয় প্রতিটি জিনিসের মূল্য বেড়েছে কয়েকগুণ।

সাজ্জাদ বলেন, বর্তমানে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। রোজগারের দিকে তাকিয়ে খাদ্যাভ্যাসে আনতে হচ্ছে ব্যাপাক পরিবর্তন।

অন্যদিকে, দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধিতে নিজেদের দায় নিতে নারাজ বাজারের খুচরা দোকানীরা। তারা বলছেন, এমন দাম বৃদ্ধি হচ্ছে আড়তদারদের পণ্য মজুদ জন্য।

এদিকে, পবিত্র মাহে রমজান সন্নিকটে। রোজায় দ্রব্যমূল্য আর কয়েকগুণ করার লক্ষ্যেই পণ্য মজুদ করে বাজার অস্থিতিশীল সৃষ্টি করতে কাজ করছে আড়তদারেরা বলেও জানান ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ।

বার্তাবাজার/এম.হৃ.আর

Leave a Reply

Your email address will not be published.