মুশফিক-লিটনের শতরানের জুটিতে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বাংলাদেশ

লাঞ্চ বিরতির আগে এক পর্যায়ে মনে হচ্ছিল আবারও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ। দলের স্কোরবোর্ডে মাত্র ৪৯ রান যোগ করতেই যে নেই ৪ উইকেট। অধিনায়ক মুমিনুল হকসহ টপ অর্ডারের প্রথম চার ব্যাটারই উইকেট বিলিয়ে দিয়ে এসেছেন। এমন পরিস্থিতিতে দলের হাল ধরেছেন অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস।

পঞ্চম উইকেটে তারা এরই মধ্যে অবিচ্ছিন্ন শতরানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে তুলেছেন। ফলে দলের রানও দেড়শ ছাড়িয়ে গেছে। ব্যক্তিগত অর্ধশত রান পূর্ণ করেছেন লিটন দাস। এটি সর্বশেষ ৭ টেস্টে তার ৬ষ্ঠ ফিফটি।
অপর প্রান্তে মুশফিকুর রহিমও উইকেট আগলে রেখেছেন। তিনিও ব্যক্তিগত ফিফটি পূর্ণ করেছেন। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত দলের রান ৪ উইকেটের বিনিময়ে ১৬৮। এর মধ্যে লিটন ৬১ ও মুশফিক ৫৩ রানে অপরাজিত আছেন।এর আগে পাকিস্তানের বিপক্ষে শুরু হওয়া চট্টগ্রাম টেস্টে টস জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক মুমিনুল হক। কিন্তু শুরুতেই চার উইকেট হারিয়ে চাপের মুখে পড়ে বাংলাদেশ। ফরম্যাট বদলেছে ঠিকই, কিন্তু বাংলাদেশি ব্যাটারদের পারফরম্যান্স যেন বদলায়নি।

দলীয় ১৯ রানের মাথায় ১৪ রান করে ফিরে যান ওপেনার সাইফ হাসান। শাহীন আফ্রিদির একটি বাউন্স ঠেকাতে গিয়ে পাশেই দাঁড়িয়ে থাকা ফিল্ডার আবিদ আলির হাতে সহজ ক্যাচ তুলে দেন তিনি। অপর ওপেনার সাদমান ইসলামও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ৩৩ রানের সময় তিনিও মাত্র ১৪ রান করে আউট হয়ে যান। হাসান আলির দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন এই ব্যাটার।

এরপর ক্রিজে আসেন অধিনায়ক মুমিনুল হক। তিনি মাত্র ৬ রান করেছেন। স্পিনার সাজিদ খানের বলে উইকেটকিপার মোহাম্মদ রিজওয়ানের হাতে ক্যাচ তুলে দেন তিনি। দলের রানের খাতায় আরও ২ রান যোগ করতেই নেই আরও একটি উইকেট। এবার ফাহিম আশরাফের শিকার ওয়ানডাউনে নামা নাজমুল শান্ত। তিনি সাজিদ খানের হাতে ক্যাচ তুলে দেন। এই তরুণও ১৪ রান করেন। ৪৯ রানেই চার উইকেট হারায় টাইগাররা। সেখান থেকে দলের হাল ধরেন মুশফিক ও লিটন। দলীয় স্কোরবোর্ডে ৬৯ রান যোগ করে লাঞ্চ বিরতিতে যায় টাইগাররা। লাঞ্চের পরও সাবলিলভাবে ব্যাটিং করে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন এই দুইজন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.