September 26, 2022

ভাগনিকে নিয়ে পালিয়ে বিয়ে করেন ছোট ভাই ইমরান। তাদের এই বিয়ে মেনে নিচ্ছিলেন না পরিবারের অন্য ৭ ভাই বোনসহ স্বজনদের কেউই। তাই বিয়ের পর তাদের বাড়ির বাহিরে ভাড়া বাসায় দীর্ঘ প্রায় ছয় বছর কাটাতে হয়। মা প্রথমে অন্যসব সন্তানদের মতো মেনে না নিলেও পরে পরিবারের ছোট সন্তান হিসেবে সবকিছু মেনে নেন। এরপরই ভাই-বোনদের ওপর প্রতিশোধ পরায়ন হয়ে উঠেন ছোট ভাই ইমরান। সর্বশেষ বৃদ্ধ মাকে কব্জায় নিয়ে বড় দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করান তিনি। মামলায় একভাইয়ের স্ত্রীকেও আসামী করা হয়েছে।

এই বিষয়ে শনিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নগরের কর্ণফুলী উপজেলার দক্ষিণ শিকলবাহা আব্দুল জব্বারের বাড়িতে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন ভাগনিকে নিয়ে পালানো সেই ইমরানের চারবোন।

বোনদের অভিযোগ, তাদের বাবা নুরুল ইসলাম মারা গেছেন ১৯৯৭ সালে। এরপর বড়ভাই ওসমান ও লোকমানসহ অন্যসবাই পরিবারের হাল ধরেন। সম্প্রতি তাদের দুই ভাই ও ভাবির বিরুদ্ধে মা’ আছিয়া খাতুনকে দিয়ে আদালতে একটি মামল্ াকরিয়েছেন তাদের ছোটভাই ইমরান। এমনকি পুলিশকে ম্যানেজ করে প্রতিবেদনও নিয়েছেন ওই মামলার অভিযোগের পক্ষে। যা পুরোপুরি কাল্পনিক একটি গল্প। প্রতিশোধ নিতে বৃদ্ধ মাকে আদালতে নিয়ে তাদেরই ভাই ইমরান এসব করছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

ইমরানের বোনরা জানান, মা পরিবারের সবার সাথে যোগাযোগ করতে একটি মোবাইল ফোন ব্যবহার করতেন। মামলার পর সেই মোবাইলটি ইমরান মায়ের কাছ থেকে নিয়ে নিয়েছেন, যাতে পরিবারের অন্য কেউই মায়ের সাথে আর কথা বলতে না পারেন। এমনকি বাসার বাহিরেও তাকে আর বেরুতে দেওয়া হচ্ছে না। কারণ মা সত্যিটা যদি বলে দেন!

বোনদের ভাষ্য, ভাই ইমরান শুধু মামলা করিয়েই ক্ষান্ত হয়নি। মায়ের পৈতৃক সূত্রে পাওয়া অর্ধকোটি টাকা মূল্যের ভূমি ইমরান নিজের নামে লিখিয়ে নিয়েছে। দখলে নিয়েছে বাড়ির পারিবারিক মসজিদটিও। এখন তাদের বাবার যে সম্পদ রয়েছে তাও লিখিয়ে নিতে সে মরিয়া হয়ে উঠেছে। কেউ যাতে তার সামনে বাধা হয়ে না দাঁড়ান এই জন্য সে বৃদ্ধ মাকে কৌশলে নিজের কব্জায় নিয়ে অন্য সকল ভাইবোনদের বিপক্ষে দাঁড় করিয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, নূর নাহার বেগম, নূর আয়েশা বেগম, মরতুজা বেগম ও মোরশেদা বেগম এবং তাদের সন্তানরা।

সুমন/বার্তাবাজার/এ.আর

Leave a Reply

Your email address will not be published.