September 28, 2022

মানুষের জীবনমান সহজ করতে বিজ্ঞানীরা প্রতিযোগিতা করে আবিষ্কার করছে নানা কিছু। পুরনোকে পিছে ফেলে বহু নতুন আবিষ্কারকে আপন করেছে। নগর জীবনে ঘর ঠাণ্ডা রাখতে যেখানে টন টন এ.সি ব্যবহার করা হয়, সেখানে মাটির এসির ব্যবহার সত্যিই আশ্চর্যের। প্রকৃতি প্রেমীরা তাদের বাড়িতে মাটির ‘এসি’ লাগিয়ে শীতলতা গ্রহণের পাশাপাশি পরিবেশকে রক্ষা করছে। মাটি প্রাকৃতিক শীতলতার উৎস বলে জানা যায়। যার কারণে পাখা, কুলার, এসি ছাড়াও মাটির ঘর বেশ ঠান্ডা থাকে।

মাটির এসি-তেও একই কৌশল অবলম্বন করা হয়েছে। হ্যাঁ, মাটির এসির “টেরাকোটা কুলার” নামটি ব্যবহার করা হয়েছে যা তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে টেরাকোটা মাটি। এই এসি দেখতে মৌচাকের মতো, তাই একে মৌচাকের এসিও বলা হয়। দিল্লির বাসিন্দা ‘মনীশ সিরিপুরপু’ বহু বছর ধরে মাটির কাজ করছেন।

২০১৫ সালে তিনি প্রথমবারের মতো মাটির এসি তৈরি করেছিলেন। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এখানে এই প্রথা চলে আসছে যে, গ্রীষ্মকালে মাটির পাত্র ব্যবহার করা হয় জল ঠান্ডা রাখার জন্য। মনীশ সিরিপুরাপু (স্থপতি মনীশ সিরিপুরাপু) এর দল এটি নিয়ে ভেবেছিল যে মাটি যখন জল ঠান্ডা করতে পারে তবে বাতাস কেন নয়?

এভাবেই চিন্তা করে তার দল মাটির এসি তৈরির কাজে সফলতা পায়। সিরিপুরাপুর মতে, মাটির এসি ভবিষ্যতে বড় বিল্ডিংগুলিতেও ব্যবহার করা যেতে পারে। একটি কারখানায় প্রথম মাটির এসি বসানো হয়েছিল যেখানে বেশি ডিজেল খরচের কারণে তাপমাত্রা বেড়ে যেত। এমন পরিস্থিতিতে, মাটি এ.সি তাপমাত্রা কমাতে সাহায্য করে।

বার্তাবাজার/এম আই

Leave a Reply

Your email address will not be published.