October 1, 2022

এক পৌর কাউন্সিলরসহ ৫ জনকে দায়ী করে ফেসবুকে স্যাটাস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে জাহাঙ্গীর আলম (৪৪) নামের এক স্বর্ণ ব্যবসায়ী। সে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ পৌর কাকনহাটি গ্রামের মৃত লাল মিয়ার পুত্র।

জাহাঙ্গীর পৌর সদরের গো-হাটাস্থ আপন জুয়েলার্সের মালিক এবং উপজেলা জুয়েলার্স সমিতির সাধারণ সম্পাদক। রবিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ময়মনসিংহ নগরীর চরপাড়া এলাকার হিলটন আবাসিক হোটেলে এ আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। এনিয়ে ঈশ্বরগঞ্জ পৌর এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে ।

কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ কামাল আকন্দ এই তথ্য নিশ্চিত করে বার্তা বাজারকে বলেন, খবর পেয়ে নগরীর হিলটন আবাসিক হোটেলের ১১৫ নাম্বার কক্ষ থেকে জাহাঙ্গীর আলমের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

হোটেল কর্তৃপক্ষ বরাত দিয়ে ওসি আরও জানান, গত ২০ তারিখ থেকে জাহাঙ্গীর হোটেলের ১১৫ নং কক্ষে ভাড়া উঠেছিল। এরপর রবিবার ভোর রাতে সে হোটেল কক্ষে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।

তিনি জানান, মৃত্যুর আগে জাহাঙ্গীর একটি ফেসবুক পোষ্টে ৫ জনকে দায়ী করেছেন। তারা হলেন, ঈশ্বরগঞ্জ পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সাইফুর রহমান রাসেল, স্থানীয় কাকনহাটি গ্রামের কাঞ্চন মিয়া, মিলন মিয়া, সুজন মিয়া ও অন্তর মিয়া।

ঘটনাটি তদন্ত করে এই মৃত্যুর কারণ উদঘাটনের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।

তবে ঘটনার বিষয়ে কাউন্সিলর সাইফুর রহমান রাসেল বলেন, জাহাঙ্গীর আমার দোকানের ভাড়াটিয়া। সে ঋণগ্রস্থ একজন মানুষ। তার সাথে আমার সর্ম্পক ভালো থাকার কারণে আমি কাউন্সিলর নির্বাচিত হবার পর অনেক পাওনাদার আমার কাছে বিচার চেয়ে নালিশ করে। এসব বিষয় একাধিকবার তার সাথে কথা বলে সমাধানের চেষ্টা করেছি। হয়তো এসব বিষয়ে আমার প্রতি জাহাঙ্গীর আলমের রাগ থাকতে পারে।

আরিফুল/বার্তাবাজার/এ.আর

Leave a Reply

Your email address will not be published.