সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২২

কর্তব্যরত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করা বাংলাদেশ পুলিশের সকল সদস্যদের আত্মত্যাগ ও গৌরবজ্জল ভূমিকা স্মরণে ১ লা মার্চ (মঙ্গলবার) ‘পুলিশ মেমোরিয়াল ডে’ পালন করেছে ফেনী জেলা পুলিশ। প্রতিবছরের ন্যায় এই বছরেও যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালন করেছে জেলা পুলিশ প্রশাসন।

দিবসটি উপলক্ষে ১ লা মার্চের প্রথম প্রহরে ১২.১ মিনিটে ফেনী জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে অবস্থিত পুলিশ ভাস্কর্য বেদীতে পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুনের উপস্থিতিতে মোমবাতি প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে মৃত্যুবরণ করা পুলিশ সদস্যদের স্মরণ করা হয়।

পরে সকালে পুলিশ সুপার কার্যালয় প্রাঙ্গণে দিবসটি উপলক্ষে নিহত পুলিশ সদস্যদের পরিবারবর্গের সাথে একটি মতবিনিময় সভা ও উপহার ও নগদ অর্থ প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পুলিশ ভাষ্কর্য বেদীতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্যদিয়ে ও কুরআন তেলাওয়াতের মধ্যদিয়ে আলোচনা সভার সূচনা করা হয়।

পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) মোঃ রবিউল ইসলামের সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নিজাম উদ্দিন হাজারী এমপি।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা ও দায়রা জজ ডা. বেগম জেবুন নেসা, জেলা প্রশাসক সেলিম মাহমুদ-উল হাসান, জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ রফিক-উস সালেহীন, জেলা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সা’দ মোহাম্মদ আন্দালিব প্রমুখ।

এসময় দায়িত্ব পালন কালে মৃত্যুবরণ করা ফেনীর ১৭ জন পুলিশ সদস্যদের পরিবারের সাথে মতবিনিময়ের পর পরিবারগুলোর বিভিন্ন সংকট নিরসনে নিহত পুলিশ সদস্যদের পরিবারের সদস্যদের চাকরি প্রদান, বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা নেওয়াসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেওয়া হয়।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাংসদ নিজাম উদ্দিন হাজারী বলেন, ত্যাগের মহিমায় মহিমান্বিত হয়ে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালো রাত্রীতে মুক্তিযুদ্ধের প্রথম প্রতিরোধ ব্যবস্থা সূচনা করেছিল বাংলাদেশ পুলিশ। তারা তাদের নিজেদের জীবন বিসর্জন দিয়ে বাংলাদেশের জন্য লড়েছেন।

করোনাকালীন সময়ে পুলিশের কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করে সাংসদ বলেন, করোনায় পুরো দেশ স্থবির হয়ে পড়লেও পুলিশের মানবিক কার্যক্রম কখনোই বন্ধ ছিলো না। এই সময়ে প্রায় শতাধিক পুলিশ সদস্য নিজেদের জীবন বিসর্জন দিয়েও নিজেদের কার্যক্রম পরিচালনা করে গিয়েছেন।

ছিদ্দিকি/বার্তাবাজার/এ.আর

Leave a Reply

Your email address will not be published.