September 28, 2022

যে বয়সে কোন বালাই নাই, সে বয়সের ছেলেদের বড় আয়োজন করে হাতে পুরস্কার আর মাথায় পাগড়ি এমন পরিবেশ উপস্থিত সকলকে পুলকিত করেছে। শুধু তাই নয়, ক্রমান্বয়ে ৪ জন কোরআনে হাফেজের মনমুগ্ধকর তেলাওয়াতে বিমোহিত হয় অনুষ্ঠানস্থল। কোরআনে হাফেজ হওয়ার পর এমন স্বীকৃতি পেয়ে তাঁদের চোখ-মুখে ছিল আনন্দের ঝিলিক।

এ দৃষ্টিনন্দন আবহটি তৈরী হয়েছিল ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার সদর ইউনিয়নের জাটিগ্রামে। গতকাল মঙ্গলবার রাতে ওই এলাকার ঐতিহ্যবাহী জাটিগ্রাম শাহ্ আরজানিয়া জামে মসজিদ এবং নূরাণীয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার ৬৬ তম বার্ষিক ওয়াজ মাহফিলের অনুষ্ঠানে হাফেজ ছাত্রদের পাগড়ি প্রদানের এই আয়োজন করা হয়।

জাটিগ্রাম শাহ্ আরজানিয়া জামে মসজিদের খতিব মাওলানা জোবায়ের বিন সাইদের সভাপতিত্বে মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন, হাদিসে নববীর সূক্ষ্ম ব্যাখ্যাকর, রাজধানীর রামপুরা-বনশ্রী দারুলউলুম মাদ্রাসার মুহতামিম ও শায়খুল হাদীস মুফতি ইয়াহ্ইয়া মাহমুদ। প্রধান বক্তা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ নছিহত পেশ করেন, ফরিদপুরের ভাঙ্গা দারুস সুন্নাহ্ মাদ্রাসার নায়েবে মুহতামিম মাওলানা শফিকুল ইসলাম।

এছাড়াও স্থানীয় উলামায়ে কেরাম গণসহ বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় উলামায়ে কেরাম এতে অংশগ্রহণ করেন ও গুরুত্বপূর্ণ নসীহত পেশ করেন।

কোরআনে হাফেজ হওয়া নূর হুসাইন, রাকিবুল ইসলাম, খাইরুল ইসলাম ও আব্দুল হালিম বলেন, এত সুন্দর আয়োজন করে মাথায় পাগড়ি আর হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়ার দৃশ্য জীবনের প্রথম আনন্দ, যা কখনো ভুলার নয়। সামনে যতদিন বেঁচে থাকব এ সম্মান অক্ষুন্ন রেখে চলার চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ্।

সবশেষে মধ্যরাতে আখেরী মোনাজাতের মাধ্যমে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনা করার মধ্য দিয়ে মাহফিলের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। পরে মাহফিল শেষে উপস্থিত সকলের মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়।

রাকিবুল/বার্তাবাজার/এম আই

Leave a Reply

Your email address will not be published.