September 26, 2022

ঢাকা মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের সংযুক্ত সড়ক মেদেনিমন্ডল ইউনিয়ন তথা দক্ষিনবঙ্গের একমাত্র যোগাযোগের রাস্তাটির আজ বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। এক পশলা বৃষ্টি হলেই কর্দমাক্ত হয়ে পড়ায় চলার অনুপযোগী হয়ে পরে যা দেখার কেউ নেই।

এখানকার অন্যতম জনবসতিপূর্ণ কয়েকটি গ্রাম এর উপর নির্ভর করে। পদ্মা সেতু হওয়ায় ঢাকা মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে দক্ষিনবঙ্গের রাস্তা অন্য দিকে নিলেও মাওয়ার কয়েকটি গ্রামের শত শত পরিবার পরেছে বিরম্বনায়। যেকোন মৌসুমে তাদের যাতায়াতের জন্য একমাত্র রাস্তা এটি।

মাওয়া চৌরাস্তা থেকে মাওয়া পুরানঘাট পর্যন্ত এর দূরত্ব কমপক্ষে এক কিলোমিটার হবে। এই রাস্তাটির প্রধান যানবাহন হচ্ছে রিকশা থেকে শুরু করে বড় বাস। এই রাস্তার বর্তমানে বেহাল অবস্থার কারণে কোনো ধরনের যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। ফলে হাজারো মানুষের ভোগান্তির মধ্যে পরতে হচ্ছে।

এ ব্যাপারে মেদিনি মণ্ডল ইউনিয়নের সচিব মোঃ আব্দুর রহিমের সাথে কথা বলতে চাইলে তিনি কথা বলতে অস্বিকৃতি জানান।

পদ্মা সেতু দেখতে আসা হাজারো মানুষ পরছে নানা ভোগান্তিতে বিরক্ত হয়ে অনেকে আর আসবেনা বলে চলে যান। তাছাড়া মাওয়া মাছের আড়তে আসা প্রত্যহ হাজারো মানুষ এই বিরম্বনার কারনে ব্যাবসা বন্ধ করে দিচ্ছেন।

জরুরি কোনো রোগীকে চিকিৎসার জন্য এই রাস্তা হেটে আসতে হবে যা সেই রোগীর জন্য অসম্ভব। এমনকি যথাসময়ে রোগীকে হাসপাতালে নিতে না পারলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

মাওয়ায় বসবাসরত কয়েকজন জানান, বর্ষা মৌসুমে এই রাস্তাটি পানিতে তলিয়ে যায় আর শুকনো মৌসুমে এই রাস্তা দিয়ে ঝাকি খেয়ে রিকশায় যাতায়াত করি। একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তাটি কর্দমাক্ত হয়ে চলার অনুপযোগী হয়ে পরে।

প্রায় পনেরো বছরধরে পড়ে থাকা এই বেহাল দশার রাস্তা ছোট বড় সকলের অসুবিদার সমাধানের জন্য সরকারের কাছে আর্জি জানায়।

মেদেনিমন্ডল ইউনিয়নের মেম্বার চান মিয়ার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি যানান,  এটা পদ্মা সেতুর অন্তর্ভুক্ত এখানে আমাদের কিছুই করার নেই।

মেদেনিমন্ডল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আশরাফ হোসেন খানের সাথে ইউনিয়ন পরিষদে এবং ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তাকে পাওয়া যায় নি।

বার্তাবাজার/আর এম সা

Leave a Reply

Your email address will not be published.