October 1, 2022

আজ ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রেসকোর্স ময়দানে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। এরপর বাঙ্গালী জাতি একসাথে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ঐতিহাসিক দিনটি উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার সকালে রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয় ৩২ নম্বর বঙ্গবন্ধুর সমাধি। আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সহযোগী ও অঙ্গ সংগঠন, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

১৯৭১ সালের এই দিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতির সামনে ঐতিহাসিক ভাষণ দেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম’।

পরাধীনতা থেকে বাঙালি জাতির মুক্তি এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের এই ভাষণ এক অনন্যসাধারণ ও তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। এই ভাষণের মধ্যে বঙ্গবন্ধু স্পষ্টভাবেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা শব্দটি উচ্চারণ করেছিলেন এবং মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে সেই স্বাধীনতা অর্জনে গেরিলাযুদ্ধের প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুর ভাষণটি আজ বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবেও স্বীকৃত। এটি বিশ্বে সর্বাধিক বার প্রচারিত অলিখিত ভাষণ।

সোমবার ঐতিহাসিক ৭ মার্চ নিয়ে দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ শুধু বাঙালি নয় সারা বিশ্বের স্বাধীনতাকামী মানুষের জন্য প্রেরণার চিরন্তন উৎস হয়ে থাকবে।

আলাদা বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বাঙালি জাতির জীবনে ৭ মার্চ এক অবিস্মরণীয় দিন। এ দিন বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের এই দিনে ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দান বর্তমানে শহীদ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দাঁড়িয়ে বজ্রকণ্ঠে রচনা করেছিলেন ১৮ মিনিটের এক মহাকাব্য।

বার্তাবাজার/এম আই

Leave a Reply

Your email address will not be published.